দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় একযোগে এ আসনের ১২৮ টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
এদিকে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ, র্যাব, বিজিবিসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। এছাড়াও রয়েছে পুলিশের বডিওর্ন ক্যামেরা।
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্যমতে, আসনটিতে নির্বাচনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হচ্ছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত মনোনীত ও ১১ দল সমর্থিত প্রার্থী, প্রয়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ছোটভাই অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মার্কসবাদীর প্রার্থী মিজানুর রহমান।

এ ব্যাপারে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পুরো জেলায় ৩২টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৫ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ৬ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি ভোটারদের শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচন ও নির্বাচন পরবর্তি সময় পর্যন্ত মাঠে থাকবে। সব মিলিয়ে তিন স্তরের নিছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রাখা হয়েছে পুরো এলাকা। দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসনে মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৭৫১টি ভোটকক্ষে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাচন কমিশনের ১৮ জন পর্যবেক্ষক, ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচনী অনুসন্ধান (ইনকোয়ারি) কমিটির ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্ব পালন করবেন।

এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর ৮টি মোবাইল টিম, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ১৪টি টিম এবং পুলিশের প্রায় ১ হাজার ১৫০ সদস্য মাঠে নিয়োজিত রয়েছেন।
কে